কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী, ২০২৬ এ ১১:৪২ AM
কন্টেন্ট: নোটিশ প্রকাশের তারিখ: ১১-১১-২০২৫ আর্কাইভ তারিখ: ৩০-১১-২০৫৩
বাংলাদেশে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (৩য় পযায়) প্রকল্প
অল্প সমেয়, স্বল্প খরেচ, সকল বিচার পেতে, চলো যাই গ্রাম আদালতে
গ্রাম আদালত কি?
# ছোট ছোট দেওয়ানী ও ফৌজদারী মামলা স্থানীয়ভাবে নিষ্পত্তি করার জন ইউিনয়ন পরিষদের
আওতায় আদালত গঠন করা হয় তাকে গ্রাম আদালত বলে।
ক্স# ১৯৭৬ সালের গ্রাম আদালত অধ্যাদেশ জারির মাধেম এ ব্যবস্থা চালু হয়। এরপর গ্রাম আদালত
আইন ২০০৬ (২০১৩ সােল সংেশািধত) এবং গ্রাম আদালত বিধিমালা ২০১৬ প্রণয়নের মাধেম এ
ব্যবস্থাকে আরও শক্তি শালী করা হয়।
মামলার ফিস
ফৌজদারী মামলা: ১০ টাকা, দওয়ানী মামলা: ২০ টাকা । এছাড়া আবেদনকারীর আর কান খরচ নই।
গ্রাাম আদালতের এখিতয়ার (ধারা-৬)
ক্স # যে ইউনিয়নে অপরাধ সংঘটিত হবে বা মামলার কারণ উদ্ভব হবে, বিবাদরে পক্ষগণ সাধারণত সই
ইউনিয়নের বাসিন্দা হলে, গ্রাম আদালত সেই ইউনিয়নেই গঠিত হবে।
ক্স# বিবাদের একপক্ষ সেই ইউনিয়নের বাসিন্দা হলে এবং অপরপক্ষ ভিন্ন ইউনিয়নের বাসিন্দা হলে সে ইউনিয়নে অপরাধ সংঘটিত হবে, সেই ইউনিয়নে গ্রাম আদালত গঠিত হবে।
ক্স# পক্ষগণ ইচ্ছা করিলে নিজ নিজ ইউনিয়ন হতে প্রতিনিধি মনোনীত করতে পারবেন।
গ্রাম আদালতের ক্ষমতা (ধারা-৭)
ক্স# গ্রাাম আদালত তার এখিতয়ারভূক্ত ফৌজদারী মামলার ক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তিকে কেবলমাত্র সর্বোচ্চ
৩,০০,০০০ (তিন লক্ষ) টাকা ক্ষতিপূরন প্রদানের আদেশ দিতে পারবে।
ক্স# গ্রাম আদালত তার এখিতয়ারভূক্ত দেওয়ানী মামলার কোনো ব্যক্তিকে কেবলমাত্র সর্বোচ্চ ৩,০০,০০০ (তিন লক্ষ) টাকা ক্ষতিপূরণ প্রদানের আদেশ দিতে পারবে বা সম্পত্তির প্রকৃত মালিককে সম্পত্তি বা উহার দখল ফেরত দেওয়ার আদেশ দিতে পারবে।
গ্রাম আদালতের এখিতয়ারভুক্ত মামলা
ফৌজদারী মামলা
১. চুরি; ২. ঝগড়া-বিবাদ; ৩. মারামারি; ৪. দাঙ্গা-হাঙ্গামা; ৫. প্রতারণা; ৬. ভয়ভীতি দেখানো বা হুমকি/ধমক
দেওয়া; ৭. কান নারীর শ্লীলতাহানির উদ্দেশ্যে কথা বলা, অঙ্গভঙ্গী বা কান কাজ করা; ৮. বলপ্রয়োগ করে
জখম করা; ৯. গ্িচ্ছত কোন মূলবান সম্পত্তি আত্মসাৎ করা; ১০. উত্যক্ত করা; ১১. বেআইনী সমাবেশ
করা; ১২. কাউেক বেআইনীভাবে আটক করে রাখা; ১৩. কাউকে আঘাত করা বা মারধোর করা; ১৪.
গবাদিপশু হত্যা করে ক্ষতিসাধন করা।
দেওয়ানী মামলা
১. চুরি , রশিদ বা অন্য কোন দলিল মূল্যে পাওনা টাকা আদায় সংক্রান্ত।
২. অস্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার বা উহার মূল্য আদায় সংক্রান্ত।
৩. স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার বা তার মূল্য আদায় সংক্রান্ত।
৪. অস্থাবর সম্পত্তির জবর দখল বা ক্ষতি করার জন্য ক্ষতিপূরন আদায় সংক্রান্ত।
৫. গবাদিপশু অনধিকার প্রবেশের কারণে ক্ষতিপূরন আদায় সংক্রান্ত।
৬. কৃষি শ্রমিকদের পরিশোধযোগ্য মজুরি ও ক্ষতিপূরণ আদায় সংক্রান্ত।
গ্রাম আদালতের এখতিয়ার বহির্ভূত মামলা
ক) এসিড নিক্ষেপ, যৌতুক, তালাক, বিবাহ বিচ্ছেদ. দেনমোহর আদায়, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দাম্পত্য কলহ সংক্রান্ত মামলা।
খ) রক্তপাত সংক্রান্ত মামলা
গ) গ্রাম আদালত (সংশোধন) আইন ২০১৩ (২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৩)অনুসারে ৩,০০,০০০ (তিন লক্ষ) টাকার বেশি মূল্যমানের মামলা:
ঘ) অস্থাবর সম্পত্তি চুরি সংক্রান্ত মামলা যার মূল্যমান ৫০,০০০ (পঞ্চাশ হাজার )টাকার উপরে।
ঙ) দেওয়ানী মামলার ক্ষেত্রে জমির স্বত্বাধিকার সংক্রান্ত মামলা।
আর্থিক সহায়তা: বাংলাদেশ সরকার, ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন (ইইউ) এবং ইউএনডিপি।
বাস্তবায়নকারী সংস্থা: স্থানীয় সরকার বিভাগ (এলজিডি), স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবাল মন্ত্রাণালয়।
সহযোগী সংস্থা: ইয়ং পাওয়ার ইন সোশ্যাল এ্যাকশন (ইপসা)।
বিস্তারিত জানতে: আপনার নিজ ইউনিয়ন পরিষদে যোগাযোগ করুন।
বাংলাদেশে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (৩য় পযায়) প্রকল্প
অল্প সমেয়, স্বল্প খরেচ, সকল বিচার পেতে, চলো যাই গ্রাম আদালতে
ক্সগ্রাম আদালত কি?
# ছোট ছোট দেওয়ানী ও ফৌজদারী মামলা স্থানীয়ভাবে নিষ্পত্তি করার জন ইউিনয়ন পরিষদের
আওতায় আদালত গঠন করা হয় তাকে গ্রাম আদালত বলে।
ক্স# ১৯৭৬ সালের গ্রাম আদালত অধ্যাদেশ জারির মাধেম এ ব্যবস্থা চালু হয়। এরপর গ্রাম আদালত
আইন ২০০৬ (২০১৩ সােল সংেশািধত) এবং গ্রাম আদালত বিধিমালা ২০১৬ প্রণয়নের মাধেম এ
ব্যবস্থাকে আরও শক্তি শালী করা হয়।
মামলার ফিস
ফৌজদারী মামলা: ১০ টাকা, দওয়ানী মামলা: ২০ টাকা । এছাড়া আবেদনকারীর আর কান খরচ নই।
গ্রাাম আদালতের এখিতয়ার (ধারা-৬)
ক্স # যে ইউনিয়নে অপরাধ সংঘটিত হবে বা মামলার কারণ উদ্ভব হবে, বিবাদরে পক্ষগণ সাধারণত সই
ইউনিয়নের বাসিন্দা হলে, গ্রাম আদালত সেই ইউনিয়নেই গঠিত হবে।
ক্স# বিবাদের একপক্ষ সেই ইউনিয়নের বাসিন্দা হলে এবং অপরপক্ষ ভিন্ন ইউনিয়নের বাসিন্দা হলে সে ইউনিয়নে অপরাধ সংঘটিত হবে, সেই ইউনিয়নে গ্রাম আদালত গঠিত হবে।
ক্স# পক্ষগণ ইচ্ছা করিলে নিজ নিজ ইউনিয়ন হতে প্রতিনিধি মনোনীত করতে পারবেন।
গ্রাম আদালতের ক্ষমতা (ধারা-৭)
ক্স# গ্রাাম আদালত তার এখিতয়ারভূক্ত ফৌজদারী মামলার ক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তিকে কেবলমাত্র সর্বোচ্চ
৩,০০,০০০ (তিন লক্ষ) টাকা ক্ষতিপূরন প্রদানের আদেশ দিতে পারবে।
ক্স# গ্রাম আদালত তার এখিতয়ারভূক্ত দেওয়ানী মামলার কোনো ব্যক্তিকে কেবলমাত্র সর্বোচ্চ ৩,০০,০০০ (তিন লক্ষ) টাকা ক্ষতিপূরণ প্রদানের আদেশ দিতে পারবে বা সম্পত্তির প্রকৃত মালিককে সম্পত্তি বা উহার দখল ফেরত দেওয়ার আদেশ দিতে পারবে।
গ্রাম আদালতের এখিতয়ারভুক্ত মামলা
ফৌজদারী মামলা
১. চুরি; ২. ঝগড়া-বিবাদ; ৩. মারামারি; ৪. দাঙ্গা-হাঙ্গামা; ৫. প্রতারণা; ৬. ভয়ভীতি দেখানো বা হুমকি/ধমক
দেওয়া; ৭. কান নারীর শ্লীলতাহানির উদ্দেশ্যে কথা বলা, অঙ্গভঙ্গী বা কান কাজ করা; ৮. বলপ্রয়োগ করে
জখম করা; ৯. গ্িচ্ছত কোন মূলবান সম্পত্তি আত্মসাৎ করা; ১০. উত্যক্ত করা; ১১. বেআইনী সমাবেশ
করা; ১২. কাউেক বেআইনীভাবে আটক করে রাখা; ১৩. কাউকে আঘাত করা বা মারধোর করা; ১৪.
গবাদিপশু হত্যা করে ক্ষতিসাধন করা।
দেওয়ানী মামলা
১. চুরি , রশিদ বা অন্য কোন দলিল মূল্যে পাওনা টাকা আদায় সংক্রান্ত।
২. অস্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার বা উহার মূল্য আদায় সংক্রান্ত।
৩. স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার বা তার মূল্য আদায় সংক্রান্ত।
৪. অস্থাবর সম্পত্তির জবর দখল বা ক্ষতি করার জন্য ক্ষতিপূরন আদায় সংক্রান্ত।
৫. গবাদিপশু অনধিকার প্রবেশের কারণে ক্ষতিপূরন আদায় সংক্রান্ত।
৬. কৃষি শ্রমিকদের পরিশোধযোগ্য মজুরি ও ক্ষতিপূরণ আদায় সংক্রান্ত।
গ্রাম আদালতের এখতিয়ার বহির্ভূত মামলা
ক) এসিড নিক্ষেপ, যৌতুক, তালাক, বিবাহ বিচ্ছেদ. দেনমোহর আদায়, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দাম্পত্য কলহ সংক্রান্ত মামলা।
খ) রক্তপাত সংক্রান্ত মামলা
গ) গ্রাম আদালত (সংশোধন) আইন ২০১৩ (২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৩)অনুসারে ৩,০০,০০০ (তিন লক্ষ) টাকার বেশি মূল্যমানের মামলা:
ঘ) অস্থাবর সম্পত্তি চুরি সংক্রান্ত মামলা যার মূল্যমান ৫০,০০০ (পঞ্চাশ হাজার )টাকার উপরে।
ঙ) দেওয়ানী মামলার ক্ষেত্রে জমির স্বত্বাধিকার সংক্রান্ত মামলা।
আর্থিক সহায়তা: বাংলাদেশ সরকার, ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন (ইইউ) এবং ইউএনডিপি।
বাস্তবায়নকারী সংস্থা: স্থানীয় সরকার বিভাগ (এলজিডি), স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবাল মন্ত্রাণালয়।
সহযোগী সংস্থা: ইয়ং পাওয়ার ইন সোশ্যাল এ্যাকশন (ইপসা)।
বিস্তারিত জানতে: আপনার নিজ ইউনিয়ন পরিষদে যোগাযোগ করুন।